ঘটনাটি নথিতে থাকুক
কী ঘটেছে, কোথায়, কখন—বিবরণ ও প্রমাণ একসঙ্গে জমা দিন। গোপন ট্র্যাকিং কোড দিয়ে পরে নিজের রিপোর্টের অবস্থা দেখুন।
বিএনপি-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঘুষ, হয়রানি, দখল, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধের অভিযোগ জানানোর জনস্বার্থমূলক প্ল্যাটফর্ম।
কোনো ঘটনার কথা বলা প্রথম ধাপ। তার সময়, স্থান ও প্রাসঙ্গিক তথ্য এক জায়গায় রাখা পরের ধাপ। বিএনপিনামা অভিযোগগুলো সাজিয়ে রাখে, যাতে মানুষ বিষয়গুলো খুঁজে পেতে ও বুঝতে পারেন।
কী ঘটেছে, কোথায়, কখন—বিবরণ ও প্রমাণ একসঙ্গে জমা দিন। গোপন ট্র্যাকিং কোড দিয়ে পরে নিজের রিপোর্টের অবস্থা দেখুন।
মানচিত্র ও ফিল্টার দিয়ে এলাকার প্রকাশিত অভিযোগ খুঁজুন। একই জায়গায় কী ধরনের অভিযোগ আসছে, তা পাশাপাশি দেখুন।
পর্যালোচনার পর প্রকাশিত বিবরণ পড়ুন, ঘটনার প্রেক্ষাপট বুঝুন। পাঠকের সমর্থন অভিযোগে মনোযোগ আনে; সত্যতার প্রমাণ হয় না।
পুনঃসংযোগ হচ্ছে
শুধু প্রকাশিত অভিযোগের হিসাব
প্রকাশিত রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।
প্রকাশিত রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।
লম্বা লেখা জরুরি নয়। যা জানেন, নির্দিষ্ট করে লিখুন। নিজে দেখা ঘটনা ও অন্যের কাছে শোনা তথ্য আলাদা করে উল্লেখ করুন।
ঘটনার তারিখ, বিভাগ, জেলা ও উপজেলা/থানা নির্বাচন করুন। বর্ণনায় প্রয়োজনীয় জায়গার বিবরণ দিন।
ঘটনাটি ধারাবাহিকভাবে লিখুন। অভিযুক্তের নাম জানা থাকলে আলাদা ঘরে দিন; পদবি ও দলীয় সংশ্লিষ্টতার ভিত্তি উল্লেখ করুন।
সর্বোচ্চ ৫টি ছবি, PDF, অডিও বা ভিডিও দিন; ছবি ২৫ MB, PDF ৫০ MB, অডিও ২০০ MB ও ভিডিও ২ GB পর্যন্ত। সর্বোচ্চ ৫টি সংবাদলিংকও দিতে পারেন। সংযুক্ত ফাইল ও লিংক শুধু পর্যালোচক দেখতে পারবেন।
নিজের ও ভুক্তভোগীর অপ্রয়োজনীয় নাম, ফোন, ঠিকানা বা পরিচয় শনাক্ত করার তথ্য লেখা ও ফাইল থেকে সরিয়ে নিন।
জমা দিলেই অভিযোগ প্রকাশিত হয় না। প্রথমে পর্যালোচনা হয়। আপনার গোপন কোড দিয়ে অবস্থা ও পর্যালোচকের মন্তব্য দেখা যায়।
ফর্ম জমা হলে একটি ট্র্যাকিং কোড পাবেন। সংরক্ষণ করুন—রিপোর্টকারীর পরিচয় রাখা হয় না বলে হারানো কোড উদ্ধার করা যায় না।
অনুমোদিত পর্যালোচক অভিযোগের বিবরণ, প্রমাণ ও অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত পরিচয় পরীক্ষা করেন। এই সময়ে রিপোর্ট প্রকাশ্যে দেখা যায় না।
পর্যালোচনার পর রিপোর্ট প্রকাশ করা হয় অথবা প্রকাশ করা হয় না। কোড দিয়ে সিদ্ধান্ত ও পর্যালোচকের মন্তব্য দেখুন।
প্রকাশের অনুমোদন পেলে অভিযোগ তালিকা, মানচিত্র ও পরিসংখ্যানে যুক্ত হয়। প্রকাশিত অভিযোগ মানেই প্রমাণিত অপরাধ নয়।
নতুন করে জমা না দিয়ে গোপন ট্র্যাকিং কোড দিয়ে অগ্রগতি দেখুন।
রিপোর্ট করতে অ্যাকাউন্ট লাগে না। রিপোর্টকারীর নাম, ফোন বা ইমেইল চাওয়া হয় না; অ্যাপের ডেটাবেসে IP ঠিকানাও রাখা হয় না।
প্রমাণের ফাইল এবং আলাদা ঘরে দেওয়া অভিযুক্তের নাম ও তথ্য সাধারণ দর্শকের কাছে সরাসরি প্রকাশিত হয় না।
লেখা, ছবি, PDF বা অডিওতে পরিচয় থেকে যেতে পারে। অপ্রয়োজনীয় তথ্য সরিয়ে তারপর জমা দিন। হোস্টিং সেবার লগও আলাদাভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।
এই প্ল্যাটফর্মের কাজ অভিযোগ গ্রহণ, পর্যালোচনা ও প্রকাশযোগ্য তথ্য এক জায়গায় দেখানো। কী পাওয়া যাবে তা আগে থেকেই পরিষ্কার থাকা ভালো।
ঘটনা সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য আছে?
আপনার জানা কথাটি গুছিয়ে জানান।
না। নাম, ইমেইল, ফোন নম্বর বা অ্যাকাউন্ট ছাড়াই রিপোর্ট জমা দেওয়া যায়। রিপোর্টের অবস্থা জানতে গোপন ট্র্যাকিং কোডটি সংরক্ষণ করুন।
জমা দেওয়া রিপোর্ট প্রথমে পর্যালোচনাধীন থাকে। তথ্য, প্রমাণ ও ব্যক্তিগত পরিচয় পরীক্ষা করে প্রকাশের অনুমোদন দেওয়া হলে লাইভ তালিকা, মানচিত্র ও পরিসংখ্যান স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়।
ছবি (JPG, PNG, WebP), PDF, অডিও (MP3, WAV, M4A, OGG), ভিডিও (MP4, MOV, WebM, 3GP) এবং সর্বোচ্চ ৫টি সংবাদলিংক সংযুক্ত করতে পারবেন। সর্বোচ্চ ৫টি ফাইল; ছবি ২৫ MB, PDF ৫০ MB, অডিও ২০০ MB, ভিডিও ২ GB পর্যন্ত। প্রমাণ শুধু অনুমোদিত পর্যালোচক দেখতে পারবেন; সবার সামনে প্রকাশ করা হয় না।
আমরা রিপোর্টকারীর নাম, ফোন, ইমেইল বা IP ঠিকানা অ্যাপের ডেটাবেসে সংরক্ষণ করি না। তবে আপনার লেখা ও ফাইলে পরিচয় থাকতে পারে—জমা দেওয়ার আগে সরিয়ে নিন। হোস্টিং প্রতিষ্ঠানের লগ আলাদাভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
সমর্থন হলো পাঠকের প্রতিক্রিয়া। এটি স্বাধীন তথ্য যাচাই, অপরাধের প্রমাণ বা আদালতের রায় নয়। একই ব্রাউজার থেকে একটি রিপোর্টে একবার সমর্থন গণনা হয়।
প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো জনসাধারণের জমা দেওয়া অভিযোগ। এগুলো অপরাধের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়।